Thursday, October 20, 2016

জুলফিকার (২০১৬)

IMDB Rating: 5.4
অভিনয় – প্রসেঞ্জিত, পরমব্রত, দেব, কৌশিক সেন, যীশু
জুলিয়াস সিজারকে জানেন? চেনেন?
রোমান সাম্রাজ্যের সবচেয়ে প্রভাবশালী ও বিখ্যাত চরিত্রগুলোর মধ্যে অন্যতম এই মানুষটির নামে ইংরেজি বছরের জুলাই মাসের নামকরণ হয়েছে বলে অনেকে মনে করেন।
প্রশ্ন করতে পারেন যে কলকাতার একটা মুভি সম্পর্কে বলতে গিয়ে কেন সিজারকে টেনে আনলাম। কারণ আছে বস... জুলফিকার নামের এই মুভি সম্পর্কে বলতে গেলে জুলিয়াস সিজারের সম্পর্কে একটু ধারণা থাকা দরকার আপনার। লেট মি হেল্প ইউ দেন...
জুলিয়াস সিজার যখন রোমান সাম্রাজ্যের ক্ষমতার চূড়ান্ত সীমায় অধিষ্ঠিত, তখন তিনি নিজেকে ঈশ্বর হিসেবে জাহির করতেন। রোমের পথে প্রান্তরে তার মূর্তির কাছে প্রার্থনা করার জন্য জনগণকে বাধ্য করা হত। সাম্রাজ্যের পরিধি বাড়ানোর লক্ষ্যে নিজের সেনাবাহিনীকে বহুদূর পর্যন্ত বিস্তৃত করেছিলেন তিনি। মিশরের কিংবদন্তী রাণী ক্লিওপেট্রাকেও বশে এনেছিলেন নিজের পাহাড়সম ব্যক্তিত্বে। দিয়েছিলেন অমর বাণী, “ভিনি ভিডি ভিসি” অর্থাৎ এলাম দেখলাম জয় করলাম।
কলকাতার ভেতরে আরেক কলকাতা তৈরি করে পোর্ট এলাকার ভাগ্য বিধাতা হয়ে ওঠা এক বিশাল অপরাধী চক্রের পাপেট মাস্টার জুলফিকারও নিজ এলাকায় ছিলেন জুলিয়াস সিজারের মত প্রচণ্ড শক্তিমান। ক্রাইম ফ্যামিলিতে অনেকগুলো মাথা থাকলেও মূলত সবকিছু হত জুলফিকারের ইশারায়। এককভাবে এত ক্ষমতা কারই বা সহ্য হয়? তাই যা ঘটার তাই ঘটলো। সিজারকে যেমন তার বিশ্বস্ত সঙ্গীরাই খুন করেছিলেন তেমনি ভাগ্যবরণ জুলফিকারের। কিন্তু পাশার দানটা উল্টে গেল আচমকাই। চাচার মৃত্যুর বদলা নিতে গিয়ে ভাতিজা হয়ে উঠলেন এলাকার নতুন বিধাতা। গল্পের মোড় এখানেই...
অ্যান্টনি ক্লিওপেট্রার কিংবদন্তীসম প্রেমের উপাখ্যানের ছোঁয়া এখানে পাবেন মারকাজ ও রাণীর মাঝে। বন্ধুত্ব ও বিশ্বাসঘাতকতার উদাহরণ পাবেন বশির ও জুলফিকার এবং টনি ও মারকাজের মাঝে। দেব ও পরমব্রত নিজেদের ভেঙ্গে আবার গড়েছেন। প্রসেঞ্জিতের ব্যাপারে কিছু বলার নেই। কৌশিক ও যীশুর অভিনয় জাস্ট অন্যরকম। আর গানের কথা না হয় নাই বলি।
দেখতে পারেন। গল্প দ্রুত এগিয়ে যাওয়ার কারণে খেই হারিয়ে ফেলতে পারেন তবে, মুভিটা আমার কাছে ভাল লেগেছে।
পার্সোনাল রেটিং – ৬.৭

Wednesday, August 31, 2016

প্রাক্তন (২০১৬)

কাস্ট - প্রসেনজিত, ঋতুপর্ণা, সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়
ভালোবাসা এক অদ্ভুত অনুভূতি।
শুরুটা দুর্দমনীয় হলেও একটা সময়ে গিয়ে আমরা কেন যেন হাঁসফাঁস করি। আমাদের দম আটকে আসে। মায়ার বাঁধনকে তখন শেকল মনে হয়। 
আর আমরা তখন যে উপায়ে হোক, মুক্তি পাবার আপ্রাণ চেষ্টা করি।
কিন্তু মুক্তি পাবার পর?
এবার মুদ্রার ওপিঠ। মনের গভীরে শক্ত তালা লাগানো স্যাক্রিফাইসের দরজার কড়া নড়বড়ে হতে শুরু করে। "ওর" ওপর দোষারোপ করা থেকে "নিজের" ওপর দোষ টেনে আনাটা স্বাভাবিক হয়ে ওঠে। চিন্তায় আসে বারবার, ইসস আর একটু... !!
কিন্তু ততক্ষণে যে অনেক দেরি হয়ে গেছে...
তারপর? ব্যস্ত জীবনে চলার পথে হঠাৎ কোন একদিন আমরা একে অপরের মুখোমুখি হই। অতিপ্রত্যাশিতভাবেই উঠে আসে স্মৃতি ও অবোধ ক্ষমা প্রার্থনা...
"যে প্রশ্নটার জবাব এতকাল থেমে আছে,
শুনব তোমার মুখে,
সত্য করে বলবে তো?"
শেষে? ট্রেনটা যে স্টেশনে থামে, সেখানে নেমে আবারো একা পথ চলা।
"দূরে যাবে তুমি,
দেখা হবে না আর কোনোদিনই..."
পার্সোনাল রেটিং - ৭.৮

Monday, June 20, 2016

Black Friday (2007)

IMDB Rating: 8.6, Rotten Tomatoes: 86%
Cast: Kay Kay Menon, Pavan Malhotra
১৯৯৩ সালে মুম্বাই বোমা হামলার কথা জানা আছে? ইন্ডিয়ার ইতিহাসে সম্ভবত সবচেয়ে বড় অপরাধের ঘটনা হচ্ছে এটা। ১২ মার্চ ১৯৯৩ সালে তৎকালীন বোম্বের ১৩টি জায়গায় ভয়াবহ বোমা হামলায় প্রাণ হারান প্রায় ২৫৭ জন মানুষ। বলা হয় যে মাফিয়া ডন দাউদ ইব্রাহীমের ছত্রছায়ায় এই হামলা পরিচালনা করেছিলেন টাইগার মেমন যাতে অংশ নিয়েছিল প্রায় ১২৯ জন।
কিন্তু কিভাবে পুলিশের নাকের ডগা দিয়ে এত বড় একটা ঘটনা ঘটানো হল, এটা জানতে হলে দেখতে হবে মুভিটা। হুসাইন জাইদির "ব্ল্যাক ফ্রাইডে" বইয়ের ওপর ভিত্তি করে বানানো এই মুভিতে দেখানো হয়েছে যে এ হামলার পেছনে পাকিস্তানী ইন্টেলিজেন্স আইএসআইয়েরও প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ হাত ছিল।
ধর্মীয় সাম্প্রদায়িকতার কালো থাবায় মানুষে মানুষে রচিত মেলবন্ধন কিভাবে এক লহমায় ধূলিসাৎ হয়ে যায় ও একে পুঁজি করে অপরাধীরা কিভাবে ফায়দা লোটে এই মুভিতে আপনি তাই দেখতে পাবেন। এবং জানতে পারবেন কন্ট্রভারসিয়াল সত্য ঘটনা।
কথায় আছে না, কাজের বেলায় কাজী আর কাজ ফুরলেই পাজি? মুভিটায় এই কথার একদম যথার্থতা দেখতে পাবেন।
আর কিছু নাই বা বলি এখন।
হাতে ২ ঘণ্টা ৪১ মিনিট সময় থাকলে দেখে ফেলুন মুভিটা।
আশা করি ভালো লাগবে।
পার্সোনাল রেটিং - ৮

Friday, March 18, 2016

বেলা শেষে (২০১৫)

IMDB Rating: 8.6
অভিনয়েঃ সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়, স্বাতিলেখা সেনগুপ্ত, ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত ও আরও অনেকে।

ভালোবাসার মানুষের হাত প্রথম ধরার অনুভূতি আসলে কেমন? 
এক শব্দে বলতে গেলে আমার কাছে তা অসাধারণ।

প্রথম বলা “ভালোবাসি” কথাটার অনুভূতি কেমন? 
আমার কাছে তা বড় বেশি পবিত্র।

প্রথম কাছে আসার অনুভূতি আসলে কেমন? 
আমার কাছে তা ব্যাখ্যাতীত।

এমনি “প্রথম” সবকিছুর আবেদন একদম আলাদা। প্রাত্যহিক জীবনের টানাপড়েন থেকে আপনাকে মুক্তি দিতে সে মানুষটির অবদান অনস্বীকার্য। তবুও সময়ের ফেরে হঠাৎ একদিন হয়ত ভালোবাসার অনুভূতির জায়গাটা শূন্য হয়ে গিয়ে শুধু দায়িত্ববোধ কাজ করে। অনেকটা মেশিনের মত করে সংসারের দায়িত্ব পালন করতে করতে হাঁপিয়ে ওঠে মানুষ। আর মানব মনের সেই অবস্থায় উদ্ভব হয় সে শব্দের, যাকে বলে “বিচ্ছেদ”।

জীবনের প্রতিটা সেকেন্ড, মিনিট, ঘণ্টা, মুহূর্ত একদমই নতুন। এর আগে কখনও আসেনি, পরেও কখনও আসবে না। আর প্রতিনিয়ত নতুনত্বে ভরা এই জীবনকে উপভোগ করতে চাইলে একা করতেই পারেন। কিন্তু একাকী কোন এক বেলায় যখন খুব আপন কাউকে পাশে পেতে ইচ্ছে করবে, দুদণ্ড কথা বলতে ইচ্ছে করবে অথবা শুধুই সঙ্গ পেতে ইচ্ছে করবে, তখন দেখবেন কেউ নেই। কিচ্ছু নেই।

বেলা শেষে এই একাকীত্বের গ্রাস থেকে বাঁচতেই ভালোবাসার মানুষটিকে দরকার।

মুভিটা দেখতে পারেন। কথা দিচ্ছি খারাপ লাগবে না।


পার্সোনাল রেটিং - ৮    

Friday, February 26, 2016

রাজকাহিনী (২০১৫)

রাজকাহিনী (২০১৫)

IMDB Rating: 7.7
Cast: ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, যীশু সেনগুপ্ত, আবীর চ্যাটার্জি, শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়, জয়া আহসানসহ আরও অনেকে।

১৯৪৭। আপাতদৃষ্টিতে দেখলে মনে হয় খুব সাধারণ একটা সংখ্যা, একটা বছর, একটা নির্দিষ্ট সময়। কিন্তু আমাদের অস্তিত্বের গল্পের একদম শুরুতে এই ১৯৪৭-র গুরুত্ব অপরিসীম। কারণ আমাদের জাতীয় জীবনের বঞ্চনা, লাঞ্ছনা, অনিশ্চয়তা, ভাগ্যহীনতার শুরুটা হয়েছিল এই বছর থেকেই।

পৃথিবীর ইতিহাসে অন্যতম এক ঘটনা হয়ে আছে এই ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান-ভারত দেশভাগ। ১৯০ বছরের ইংরেজ শাসনের পর মূলত তাদেরই মতামতের ভিত্তিতে পাকিস্তান ও ভারতের প্রতিনিধিদের সায়ে একদিন আগে পরে এই বিশাল এলাকায় ২টি দেশের জন্ম হয়। আর সেই সাথে পরিকল্পিত কি অপরিকল্পিতভাবে ভাগ্যাহত হয়ে পড়ে ২ ধর্মের কোটি কোটি মানুষ। নিজেদের ভিটেমাটি ছেড়ে র‍্যাডক্লিফের বানানো দাগের এপারে ওপারে আলাদা হয়ে যায় শতশত বছর ধরে একই আকাশের নিচে ঘরবাঁধা অতি সাধারণ এই মানুষগুলো।

তবে এত সহজে কি আর সবকিছু হয়? দাঙ্গা-ফ্যাসাদে দেদারছে মরতে থাকে ২ ধর্মেরই অসংখ্য অনুসারী। ধর্ষণ, লুটপাটে আইনের চূড়ান্ত অবনতিতে রীতিমত তুলকালাম হয়ে যায় সারা উপমহাদেশে, বিশেষত সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে। এমনি এক সীমান্তবর্তী এলাকা হলদিবাড়ি-দেবীগঞ্জের ঠিক মাঝে এক কোঠাবাড়িকে কেন্দ্র করে এগিয়েছে এই মুভির গল্প।

রাজপ্রাসাদে বসবাসরত দুনিয়ার সবচেয়ে সভ্য জাতির দাবীদার ইংরেজদের শেষ থাবায় শুধুমাত্র ধর্মের ওপর ভিত্তি করে কিভাবে লক্ষকোটি মানুষের স্বপ্নভঙ্গ হয়েছে এই দেশভাগ নামক ব্যাপারটায়, সেটার কিছুটা নমুনা দেখতে পাবেন এই মুভিতে।

পার্সোনাল রেটিং – ৮.৫ 

Tuesday, October 6, 2015

Black Mass (2015)


IMDB Rating: 7.6, Rotten Tomatoes: 76%
Cast: Johnny Depp, Dakota Johnson, Benedict Cumberbatch

সাপের মত ঠাণ্ডা দৃষ্টি - যেদিকে চোখ পড়লে মেরুদণ্ড বেয়ে হিমশীতল স্রোত বয়ে যায় নিমেষেই, পান থেকে চুন খসলেই মৃত্যু আর প্রশ্রয় পেতে পেতে নিজের কবর খুঁড়ে রাখা - মুভিটাকে সংক্ষেপে এভাবে বর্ণনা করা যেতে পারে।

জেমস "হোয়াইটি" বালজার। '৮০ ও '৯০-র দশকে সাউথ বোস্টনের ক্রাইম ওয়ার্ল্ড কন্ট্রোলার বলা যেতে পারে এই লোককে। ১৪ বছর বয়সে পুলিশের হাতে ধরা পড়া থেকে মোটামুটি শুরু তার ক্রিমিনাল জীবন। পরবর্তীতে ক্রাইম রেকর্ড ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে বই কমেনি। মাঝে কিছুদিন ইউএস এয়ারফোর্সে মেকানিক হিসেবে কাজ করার সুযোগ পেলেও অপরাধপ্রবণতার জন্য সেখানেও শাস্তি পেতে হয়। পরবর্তীতে "অনুমতি ছাড়া ছুটি কাটানোর অপরাধে" তাকে সম্মানজনকভাবে ছাটাই করে দেয়া হয়।

আর্মড রবারি, ট্রাক হাইজ্যাকসহ বিভিন্ন কারণে আবার পুলিশের হাতে ধরা পড়ে জেলে যেতে হয় বালজারকে। এ সময়টায় সিআইএর মাইন্ড কন্ট্রোল ড্রাগস নিয়ে গবেষণা প্রোগ্রাম এমকে আলট্রার সাথে যুক্ত করা হয় তাকে। এই গবেষণার সময়টায় বালজারকে এলএসডি সেবন করতে হয়েছিল বলে কথিত আছে।

৯ বছর জেল খাটার পর সাউথ বোস্টনে ফিরে আইরিশ মবের সাথে জড়িত হয়ে আবারো অপরাধজগতে পদার্পণ তার। মুভির গল্পটা শুরু হয়েছে মূলত এই সময় থেকে।

১৯৭২-র পর থেকেই মূলত সাউথ বোস্টনের ক্রাইম ওয়ার্ল্ড কন্ট্রোল চলে যায় বালজার ও তার সহযোগীদের তৈরি করা উইন্টার হিল গ্যাংয়ের হাতে। তবে লিটারেলি ব্যাপারটা অন্যরকম হয়ে ওঠে যখন এফবিআই বালজারকে তাদের নিজের ইনফরমান্ট হিসেবে মনোনীত করে। তৎকালীন পাত্রিয়ারকা ফ্যামিলির বিরুদ্ধে যুদ্ধে এফবিআইকে সাহায্য করার বিনিময়ে সারা শহরে যা খুশি তাই করার লাইসেন্স পেয়ে যায় বালজার তথা উইন্টার হিল গ্যাং।

রীতিমত উড়তে থাকার বালজারকে মাটিতে নামিয়ে আনার জন্য এফবিআইয়ে শুরু হয় ইন্টারনাল ইনভেস্টিগেশন। একের পর এক ধরা পড়তে থাকে মবস্টাররা। সাথে অন্যান্য ক্রাইম ফ্যামিলির মেম্বাররাও। এবং বালজারের সাথে ইনফরমেশন আদানপ্রদানের চুক্তিকারী ২ এফবিআই এজেন্টও ধরা পড়ে যায়। তাদের শাস্তিও হয়। তবে বুদ্ধিমান বালজার প্রথমে পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও পরবর্তীতে ২০১১ সালে সান্তা মনিকা থেকে ধরা পড়ে। এখনও জেল খাটছে সে।

মুভিটা দেখার সময় জনি ডেপের চোখের দিকে খেয়াল করবেন। এটা আমার রিকমেন্ডেশন।

পার্সোনাল রেটিং - ৭.৫  

Friday, August 28, 2015

তিন কন্যা (২০১২)

IMDB Rating: 6.1 (from 54 users)
অভিনয়েঃ ঋতুপর্ণা, অনন্য, উন্নতি

নাম শুনেই বুঝতে পারছেন যে তিন নারীর গল্প এটা।

একজন একটা বেসরকারি নিউজ চ্যানেলে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেন,
একজন পুলিশের নিবেদিতপ্রাণ কর্মকর্তা
আর আরেকজন জীবনটাকে শুধুই উপভোগ করেন।

গল্পের শুরুটা প্রথম জনকে দিয়ে। স্বামীর গতিবিধির ওপর প্রবল সন্দেহ। তার কেন যেন সবসময় মনে হয় যে স্বামী অন্য কারও সাথে সম্পর্কে জড়িয়ে আছেন। এই "অন্য কেউ" হচ্ছেন গল্পের একটা টুইস্ট।

২য় জন এক কুখ্যাত সমাজবিরোধীকে গ্রেফতার করে চারদিকের চাপে রীতিমত জেরবার। কিন্তু মাথা নোয়াবেন না কিছুতেই। এদিকে একটা ধর্ষণ কেস নিয়েও কিঞ্চিৎ প্রেসারে আছেন।

৩য় জন একটা ডিস্কোতে বন্ধুর জন্মদিন পালন করা শেষে এক মন্ত্রীর বিপথগামী ছেলে ও তার ২ বন্ধুর দ্বারা ধর্ষণের শিকার হন। পুলিশের কাছে গিয়েছেন, কিন্তু অভিযোগ নেয়া হয়নি।

এই তিনজনের জীবনের গল্পের টুইস্টেড কিছু টার্নিং নিয়েই এই মুভি।

কুখ্যাত সেই সমাজবিরোধীর মৃত্যু, ১ম জনের সন্দেহের অবসান, ধর্ষিতার অমোঘ বিচার পেয়ে যাওয়া আর নিবেদিতপ্রাণ পুলিশ অফিসারের সব কিছু থেকে মুক্তি পাওয়া - দেখবেন, একই সূত্রে গাঁথা।

দেখতে পারেন। সময়টা ভালই কাটবে আশা করি।

পার্সোনাল রেটিং - ৬.৭  

Shah Jahan Regency (2019)

Shah Jahan Regency (2019) কলকাতার বাংলা মুভি। পরিচালনা - সৃজিত মুখারজি অভিনয়ে - স্বস্তিকা, অনির্বাণ, ঋতুপর্ণা, আবীর, পরমব্রত ...